ডাক্টার মা’এর মেডিকেল পড়ুয়া মেয়ে…
ডাক্টার মা’এর মেডিকেল পড়ুয়া মেয়ে… অনেকদিন পর বাসায় আসছে…….. মেয়ে: আর খেতে পারছি না মা, পেটের মধ্যে পেন্ডিং দিয়েছে। মা: বাটিতে করে ফ্রিজে রেখে দে, পরে সাপ্লি দিবি!!! ……. Rezbaul...
ডাক্টার মা’এর মেডিকেল পড়ুয়া মেয়ে… অনেকদিন পর বাসায় আসছে…….. মেয়ে: আর খেতে পারছি না মা, পেটের মধ্যে পেন্ডিং দিয়েছে। মা: বাটিতে করে ফ্রিজে রেখে দে, পরে সাপ্লি দিবি!!! ……. Rezbaul...
বায়োকেমিস্ট্রি ভাইভা..(এক্সটার্ণাল বোর্ড) -হাইপোনেট্রেমিয়ার ক্লিনিকেল ফিচার বলো? -স্যার, ডেথ, কোমা! -গুড! মানুষ তাহলে মরার পরে কোমায় চলে যায়? -ওফস্ সরি, স্যার, কোমা, ডেথ! -আর? -স্যার কনফিউশন। -ভেরি গুড্! এবার তাহলে...
ভাইভা বোর্ডে একজন সুশিক্ষিত, দক্ষ, জ্ঞ্যানী, বিদ্বাণ স্যারে মুখোমুখি হওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার!!! প্রথম বোর্ডে ভাইভা দিলাম, স্যার আকাশ থেকে পড়ে বললেন, কি সব বলো? কোথায় পেয়েছ? পড়ালেখা তো কিছুই করো...
এক সাংবাদিক আর একজন ডাক্টার ট্রেইন এ জার্নি করছিলেন!……… অনেক্ষণ কাচুমাচু করে সাংবাদিক চিন্তা করলো আজ ডাক্টার সাহেবের থেকে কিছু টাকা মেরে নেওয়ার একটা ফন্দি করতেই হবে!!!! কিছুক্ষণ চিন্তা করে...
বড় ভাই সন্ধ্যা থেকে মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগী রিসিভ করতেছেন!! রাত ১০ টার দিকে স্যারের সাথে রোগী ফলোআপ দিলেন। এরপর আরো ৭-৮ জন রোগী রিসিভ করলেন।। আমি ভাইয়ার কাছে একটা টপিক্স...
আক্কাস পর পর তিনবার এস.এস.সি তে ফেইল করে…অনেক ভেবেচিন্তে সীদ্ধান্ত নিলো….ডিসটেন্স থেকে পরিক্ষা দিবে। চাপায় প্রচুর জোর থাকায়, ঘরে বসেই কোন মতে এইচ.এস.সি পাশ করলো!! কিন্তু বাধা হয়ে দাড়ালো তার...
অনেক দিন পর বাসায় আসলাম! সকাল বেলা আম্মু কে বললাম কিছু টাকা দাও বাইরে থেকে একটু ঘুরে আসি! ->চুপচাপ নাস্তা করে শুয়ে থাক! চেহারার একি অবস্থা করেছিস? খাওয়া দাওয়া ও...
ভয়ে ভয়ে ভাইভা বোর্ড এ ঢুকলাম! আমি ফার্স্ট ম্যান! এক বোর্ডে প্রথমে ছিলাম আর সেকেন্ড বোর্ডে লাস্ট ম্যান!!! -আসতে পারি স্যার? -আয়,আয়……… (বয়স্কমত স্যার! অমায়িক!!! চশমার উপর দিয়েই বেশির ভাগ...
এক পাজি লোক দাঁতের ডাক্টারের কাছে গিয়ে খুব পন্ডিতি দেখাচ্ছিলো! ডাক্টারসাহেবের মেজাজ হট্ হলেও কিছুই বললেন না! উপরের পাটির যে দাঁতটা পোকায় খেয়েছিলো ঠিক সোজাসুজি তার নীচের দাঁতটা তুলে দিয়ে...
১ম বর্ষের এক ছেলে, সুপিরিয়র এক্সট্রিমি কার্ড দেয়ার আগে বাবাকে ফোন করে এনাটমিকেল স্নাপবক্স কেনার জন্য থেকে ৫০০০/- টাকা মেরে দিলো!!! এরপর, হঠাৎ ছেলেটির বাবার সাথে তার এক ডাক্টার বন্ধুর...
We use cookies to improve your experience on our site. By using our site, you consent to cookies.
Manage your cookie preferences below:
Essential cookies enable basic functions and are necessary for the proper function of the website.
Statistics cookies collect information anonymously. This information helps us understand how visitors use our website.
You can find more information in our Cookie Policy.