এক ফ্রেন্ড এ্যাকসিডেন্ট করে সোজা হসপিটাল।
আল্লাহর রহমতে ভালোই আছে সে! হসপিটাল থেকে বের হতে গিয়ে বললাম…..
-> দোস্ত! আমাদের কিছু দান ক্ষয়রাত করা উচিত! যাতে আল্লাহর রহমতে একরম দুর্ঘটাগুলো জীবনে আর না আসে…..!
এবার মতো ভলোয় ভালোয় বেঁচে গেলি…! এর চেয়ে বড়ো কিছু ও তো হতে পারতো????
-> কয় টাকা দিবি???
-> বলা যাবে না! কারণ দান করতে হয় এমনভাবে যাতে ডান হাত দিয়ে দিলে বাম হাত যেনো তা বুঝতে না পারে!
-> ও….দে তাহলে আমার পকেটে ঢুকায়ে কতো দিবি!
-> মানে কি???? তোরে দিমু কেন??? গরীব অসহায়কে দিবো!
-> তাহলে তো! আমি দ্যা রাইট পারসন!!!
-> বেশি কথা বলোস কেন্???
ফাইজলামি করবি না! নে কিছু টাকা বের কর! আমার কাছে কিছু আছে! হসপিটালের সামনে কাউকে পাইলে দিয়া দিমু…..
দুজনে কিছু টাকা হাতে মুড়িয়ে নিলাম! রাতের বেলা! হসপিটাল গেইট এর সামনে পিছন থেকে দেখতে পাচ্ছি এক অসহায় আন্টিকে! ময়লা কাপড়! মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছেন।
কাছে গিয়ে ডাক্ দিলাম..
-> এই যে শুনছেন?মহিলা পিছনে ঘুরে…… “”””ইয়েস!””””
আমি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দাঁড়িয়ে আছি!ভদ্রমহিলা Samsung galaxy S7 এ নাম্বার পিটে ডায়াল করতে করতে বললেন…
“””হু আর ইউ সান???? হোয়াট ডু ইউ ওয়ান্ট???””
জিহ্বায় কামড় দিয়ে…… ->পারডন মি ম্যাম! আমি আমার আন্টিকে খুজে পাচ্ছি না!! 😛
পিছনে না তাকিয়ে দিলাম দৌড়।
রাস্তার সোডিয়াম লাইটের মায়রে বাপ্।
এই পচা লাইট টার নীচে সব কাপড়ের রং এতো বাজে দেখায় যে কেনো, আজও বুঝতে পারলাম না!!! 😢
Dr. Rezbaul Hasan